
বাসাইলসংবাদ: শুক্রবার, ১৬ নভেম্বর, ২০১৮:

বাসাইলসংবাদ ডেস্ক :
বাংলাদেশে সন্ত্রাস, দুর্নীতি এবং জঙ্গিবাদের বরপুত্র হিসেবে পরিচিত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক জিয়া ওরফে খাম্বা তারেক।
লন্ডন থেকে তথাকথিত বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন উপলক্ষে জঙ্গীবাদের বরপুত্র তারেক রহমান ফেসবুক লাইভে আসেন এবং আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইভিএম পদ্ধতির ব্যবহার নিয়ে তার ভয়ের কথা জানান। সেইসাথে দলীয় নেতাকর্মীদের ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ করেন। বর্তমান জনবান্ধব বাংলাদেশ সরকারের নামে তিনি বিষোদগার করেন। কিন্তু তার বক্তব্যে তার মা কারাবন্দী খালেদা জিয়ার মুক্তি কিংবা চিকিৎসার ব্যাপারে একটি কথাও বলেননি।
সমাবেশে তারেক ব্যতীত বিএনপি’র অন্যান্য নেতাদের কেউই দু’মিনিটের বেশী বক্তব্য রাখেননি। তবে অধিকাংশ নেতাই খালেদা জিয়ার কারামুক্তির বিষয়টিকে এড়িয়ে যান।
তারেক জিয়া এটা ভালো ভাবেই জানেন তার অতীতের নানা দুর্নীতি ও অপকর্মের কারণে আসন্ন নির্বাচনে তার এবং বিএনপির জনপ্রিয়তা নিম্নমুখী। নির্বাচনে বিএনপি কোন ভাবেই জয়লাভ করতে পারবে না জেনেই তিনি ইভিএম পদ্ধতির ওপর আস্থা রাখতে পারছেন না। তারেক জিয়ার নিকট এখন তার মায়ের কারামুক্তি বা চিকিৎসা চেয়ে নির্বাচনে জয়লাভটাই বেশী মানে রাখে।
উল্লেখ্য, তারেকের নামে নাইকো, গ্যাটকো দুর্নীতি মামলাসহ অসংখ্য দুর্নীতি মামলা রয়েছে। মানি লন্ডারিং, বোমাবাজি আর চাঁদাবাজি তো তার নিত্যনৈমিত্তিক কাজ ছিল। বিএনপি সরকারের আমলে তার মদদেই ঢাকাসহ বাংলাদেশের শহরে শহরে বোমা ফাটানো হয়েছিল। ২০০১-২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপির শাসনামলে বাংলাদেশে জঙ্গিদের কার্যক্রম ব্যাপক আকারে শুরু হয়, আর জাঙ্গিদের পৃষ্ঠপোষকতায় তারেক রহমানসহ তৎকালীন সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রীদের হাত ছিল বলে জানা যায়।
২০০৪ সালের ২১ শে আগস্ট তারেক এবং তার সহচর বাবর-হান্নানরা মিলে তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেত্রী এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মারার উদ্দেশ্যে বোমা হামলা চালায়। বোমাবাজি, চাদাবাজি, বিস্ফোরক, লুটতরাজসহ বিভিন্ন আইনে তারেকের বিরুদ্ধে অনেক মামলা রয়েছে। অধিকাংশ মামলায়ই তারেককে সাজাপ্রদান করা হলেও তিনি পুলিশি গ্রেপ্তারের ভয়ে লন্ডনে আত্মগোপন করে আছেন।
বাসাইলসংবাদ/একে




