
বাসাইলসংবাদ: সোমবার, ১৩ আগস্ট, ২০১৮:

নিজস্ব প্রতিবেদক:
দেখতে কালো তাই নাম রাখা হয়েছে ‘কালা বাবু’। কালা বাবু খুব শান্ত মেজাজের। পরিবারের সবাই তার দেখাশোনা করে। কাউকে কোন প্রকার বিরক্তও করে না। এবার কোরবানির ঈদে বিক্রির জন্য এটিকে প্রস্তুত করা হয়েছে। কালা বাবু লম্বায় ৮ ফুট। ওজন প্রায় ৩৭ মণ। বয়স সাড়ে ৫ বছর। কালা বাবু দেশীয় জাতের ষাঁড় গরু। লালন পালন হচ্ছে টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার হাবলা উত্তরপাড়ার মেহেদী হাসানের খামারে। এবার কোরবানির ঈদে তার কালা বাবুই টাঙ্গাইলের মধ্যে সব চেয়ে বড় বলে দাবি করেন মেহেদী হাসান।
জানা যায়, প্রায় সাড়ে ৫ বছর আগে খামারেই জন্ম হয় কালা বাবুর। এরপর থেকেই মেহেদী হাসান এটিকে কোনও প্রকার ক্ষতিকর ওষুধ ব্যবহার ছাড়াই দেশীয় খাবার খাইয়ে লালনপালন করে আসছে। গত কোরবানিতে এই গরুটির ওজন ছিল ২৫মণ। সেই সময় এই কালা বাবুকে ঢাকার একটি হাঁটে উঠানো হয়। সেখানে ক্রেতারা এই গরুটির দাম করেন ৭/৮ লাখ টাকা। কিন্তু মেহেদী হাসান বেশি দামের আশায় গরুটি ওই সময় বিক্রি করেনি। এবার মেহেদী হাসান এই গরুটির মূল্য হাঁকছেন ১৫ লাখ টাকা।
এদিকে বাসাইল উপজেলার অজপাড়াগায়ে এত বড় গরু এর আগে কখনও নজওে পড়েনি। তাই টাঙ্গাইলের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ এই কালা বাবুকে দেখতে ভিড় করছেন।

গরুর মালিক মেহেদী হাসান বাসাইলসংবাদকে বলেন, উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের পরামর্শক্রমে কোনও প্রকার ক্ষতিকর ওষুধ ব্যবহার ছাড়াই দেশীয় খাবার খাইয়ে গরুটিকে লালনপালন করেছি। গত কোরবানিতে গরুটিকে ঢাকার একটি হাটে উঠানো হয়েছিল। তখন এর ওজন ছিল প্রায় ২৫ মণ। আশানুরুপ দাম না পাওয়ায় গত বছর ষাঁড়টি বিক্রি করেনি। এবার গরুটির ওজন হয়েছে ৩৭মণ। প্রায় প্রতিদিনই ক্রেতারা আসছে। অনেকে ৮ থেকে ৯লাখ টাকা পর্যন্ত দাম বলেছে। তিনি ১৫ লাখ টাকা হাঁকছেন।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান বাসাইলসংবাদকে বলেন, কোনও প্রকার ক্ষতিকর ওষুধ ব্যবহার ছাড়াই দেশীয় খাবার খাইয়ে গরুটিকে লালনপালন করা হয়েছে। উপজেলায় এই ষাঁড়টিই সব থেকে বড়। ষাঁড়টিকে নিয়মিত দেখাশোনা করা হচ্ছে বলেও তিনি জানান।
বাসাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিচুর রহমান বাসাইলসংবাদকে বলেন, কোরবানির ঈদ উপলক্ষে পুলিশের বিশেষ টহল চলছে। এছাড়াও সাদা পোশাকধারী পুলিশের সদস্যরা সার্বক্ষণিক দায়িত্বে রয়েছে। যাতে করে কোনও কোরবানির পশু চুরি হতে না পারে।
বাসাইলসংবাদ/একে




