
লেখা : ডালিয়া পারভীন

অনিরুদ্ধ কেমন আছো?? কালবৈশাখী ঝড়ে ছুড়ে ফেলা দিকভ্রান্ত তোমার প্রেয়সী ভালো আছে। তুমি ভালো আছোতো?? এখনো কি? রোজ সকালে ওঠো?? সূর্য স্নানটা ঠিক মতো করোতো? নাকি ভুলের আমাবস্যা কালোটিপ পরিয়ে দিয়ে গেছে!! অনুশোচনার ঢেকি কি কখনওই গেলো, নাকি!! অহংকারের দাম্ভিকতা পুরোপুরিভাবে লেবাস বানিয়ে নিয়েছো!! জানো নিজের দিকে তাকাই, বড্ড ঘেন্না হয়, নিজের প্রতি, মনন, মানসের প্রতি।
কেমনে পারলাম বলোতো এমন নির্জালা বেকশুর খালাস দিতে তোমাকে, কিছুই দিতে পারলাম না, কিছুই না। কিঞ্চিত ঘৃণা তো করতে পারতাম!! সেটাও পারলাম না। কি আর করা! নিজেকেই ঘৃণা করি! রচি দুখে ভরা সুখের নিভৃত রজনী। বড় আজব আমি, আজব আমার মন।
তুমিই সাপ তুমিই ওঝা, এখনো তোমাতেই করি নিজেকে সমর্পণ। তবে কি জানো!! শোধরানোর সর্ব সুচ তোমা হতে বিচ্ছিন্ন। ও সূচের ডগা কখনওই তোমাতে বিঁধবে না। সূচেরও আত্মসম্মান আছে! বড় জানতে ইচ্ছা করে সেটুকু কী তোমার আছে?? বলো অনিরুদ্ধ বলো, খুব জানতে ইচ্ছা করে। নাকি!!
ভেজালে ভরা প্রেতাত্মা হয়েই থাকবে, কখনওই কী!! রক্তমাংসের চক্ষু সমৃদ্ধ মানুষ হবেনা!! কখনওই কী হবে না?? শয়তানের আকড়া হয়ে কতকাল লালন করবে শয়তানের লালিত্য। সময় বড্ড বেহিসাবি, পেরিয়ে গেছে,পেরিয়ে যাচ্ছে। কড়ায় গন্ডায় এক্ষুণি বুঝে বুঝতে সময়ের হিসেব বুঝে নাও। যা করেছো, বিপরীতে ফিরিয়ে দাও। ফিরিয়ে দাও,ফিরিয়ে দাও অনিরুদ্ধ।
প্রিয় পাঠক, আপনিও “গল্প ও কবিতা” পাতায় আপনার লেখা পাঠাতে পারেন। লেখা পাঠাতে যোগাযোগ করুন-০১৭৪৯ ৮০৯০০৩