
বাসাইলসংবাদ: রবিবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৮:

নিজস্ব প্রতিবেদক:
১২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়ে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের তালা খুলে দেয় সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী এহসানুল হক মিলনের অনুসারীরা। এই ১২ ঘণ্টার মধ্যে চাঁদপুর-১ আসনের মনোনয়ন পরিবর্তন করে মিলনকে প্রার্থী করার হুঁশিয়ারি জানালেও তা এখন পর্যন্ত সুরাহা হয়নি। জানা গেছে, অনেক নেতার মনোনয়ন ভাগ্য খুললেও খোলেনি মিলনের ভাগ্য। আর তাই আল্টিমেটাম অনুযায়ী, পুনরায় বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ঘেরাও করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মনোনয়ন বঞ্চিত মিলনের অনুসারীরা।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে চাঁদপুর জেলা যুবদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আলাউদ্দিন বলেন, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সঙ্গে কথা হয়েছিলো ১২ ঘণ্টার মধ্যে আমাদের নেতা সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী এহসানুল হক মিলন ভাইকে মনোনয়ন দেয়া হবে। তিনি আমাদের এ বিষয়ে আশ্বস্ত করে বিধায় আমরা কার্যালয়ের তালা খুলে দেই। কিন্তু ২৪ ঘণ্টারও অধিক সময় পার হয়ে গেলেও এ বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত আসেনি। তাই আমরা পুনরায় কার্যালয় ঘেরাও করবো। এবার শুধু কার্যালয় ভাঙচুর করেই ক্ষান্ত দেব না বরং মনোনয়ন বাণিজ্যে জড়িত নেতাদেরও উচিৎ শিক্ষা দেব। এবার পল্টন কার্যালয় ও গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে তালা দেওয়া হবে।
প্রসঙ্গত, ৮ ডিসেম্বর দুপুর ১২টা থেকে বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক এবং সাবেক শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলনকে মনোনয়ন না দেওয়ার প্রতিবাদে কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ করেন তার অনুসারীরা। বিক্ষোভে অংশ নেন চাঁদপুরের কচুয়া থানা বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। এরপর বিক্ষুব্ধ সমর্থকরা কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দেয়, ভাঙচুর করে। পরে তারা দুপুর সোয়া দুইটায় গেটের তালা খুলে দেয় এবং এহসানুল হক মিলনকে মনোনয়ন দেয়ার জন্য ১২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেয়।
মিলনের অনুসারীদের অভিযোগ, এহসানুল হক মিলনের জায়গায় চাঁদপুর-১ (কচুয়া) আসনে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মো. মোশাররফ হোসেনকে। যাকে এলাকায় কেউ চেনেন না। সারাজীবন তিনি মালয়েশিয়াতে ছিলেন। অন্যদিকে, এহসানুল হক মিলন পাঁচ বছর দেশের বাইরে থাকলেও তার সঙ্গে এলাকার মানুষের নিয়মিত যোগাযোগ আছে। এখনও তিনি জেলে আছেন, তার ত্যাগকে মূল্যায়ন করা হয়নি।
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলা বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম ফারুকী বলেন, কচুয়ার আসনটি পুনরুদ্ধার করতে মিলনের কোনও বিকল্প নেই। সুতরাং সিদ্ধান্ত থেকে সরে যাওয়ার কোন পথ নেই।
সূত্র-বাংলা নিউজ পোস্ট
বাসাইলসংবাদ/একে




