
বাসাইল সংবাদ: শুক্রবার, ১০ নভেম্বর, ২০১৭:

নিজস্ব প্রতিবেদক:
টাঙ্গাইলের বাসাইলে লিজা আক্তার (১৪) নামের এক জেডিসি পরীক্ষার্থীর বাল্যবিয়ে ঠেকালেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামছুন নাহার স্বপ্না। লিজা উপজেলার হাবলা ইউনিয়নের ঘোষাখালী গ্রামের রফিকুল ইসলামের মেয়ে। লিজা এবার হাবলা ছালাফিয়া বালিকা দাখিল মাদ্রাসা থেকে জুনিয়র মাদ্রাসা (জেডিসি) পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে।
জানা যায়, বৃহস্পতিবার ( ৯ নভেম্বর) ওই মাদ্রাসা ছাত্রীকে দেলদুয়ার গ্রামের এক প্রবাসী যুবকের সঙ্গে বিয়ে দেওয়ার সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করে তার পরিবার। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওইদিন বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিয়ে বাড়িতে হাজির হন।
এদিকে নির্বাহী কর্মকর্তার উপস্থিতি টের পেয়ে ওই ছাত্রীকে তার পরিবার লুকিয়ে ফেলে। নির্বাহী কর্মকর্তার আসার খবর পেয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান খোরশেদ আলমও সেখানে উপস্থিত হয়। পরে মেয়েটিকে নির্বাহী কর্মকর্তার সামনে উপস্থিত করা হয়। মেয়েটির বাবা-মা তাকে প্রাপ্ত বয়স না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দিবেন না মর্মে মুচলেকা দেন।
বাসাইল সংবাদ/একে
সকলের অবগতির জন্য অনুগ্রহ পূর্বক নিউজটি শেয়ার করুন





২ Comments
Asiqur rahman
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামছুন নাহার স্বপ্না একটু বেশি করে ফেলছে, কারন ওই মেয়ে যদি কোন ছেলেকে ভালোবাসে চলে যাই এবং ওই মেয়ে যদি কারো কাছে ইজ্জত হারাই এবং আরো অনেক সমেস্যা হতে পারে তখন ঐ স্বপ্না সাহেব ঐ পরিবারকে কি উপহার দিবে??
Asiqur rahman
এদেশে বাল্য বিবাহ বন্ধের কত প্রচেষ্টা।অথচ ১২ বছরের মেয়েদের পতিতা লাইসেন্স দেওয়া হয়।কই এখানে সুশীল সমাজের ভুমিকা কই? দেওয়া হয়।কই এখানে সুশীল সমাজের ভুমিকা কই?