
নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি ভেঙ্গে দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। গত ৩ অক্টোবর বৃহস্পতিবার বিভক্ত একাংশের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। বাথুলীসাদী লাইলী বেগম উচ্চ বিদ্যালয়ে আয়োজিত সাধারণ সম্মেলনের প্রথম পর্বে অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুস সালাম খানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এতে বক্তারা পুরাতন কমিটির সভাপতি ও সম্পাদকসহ কমিটির বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ এনে বক্তব্য রাখেন।
অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে দেউলী খঃ নুরে আলম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মজনু মিয়ার সভাপতিত্বে সর্ব সম্মতিক্রমে লৌহজং উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আরজু জমাদারকে সভাপতি ও মিরিকপুর গঙ্গাচরণ তফশিলী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হায়দার আলী খানকে সাধারন সম্পাদক করে ২৩ সদস্য বিশিষ্ট কার্য নির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়।
কমিটির অন্যান্য সদস্যের মধ্যে রয়েছেন- সহ-সভাপতি পদে দেউলি খন্দকার নুরে আলম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মজনু মিয়া, বাথুলীসাদী লাইলী বেগম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুস সালাম খান, বালিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাবিবুর রহমান। যুগ্ম সাধারন সম্পাদক পদে লৌহজং উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক আব্দুল লতিফ, দেউলী খঃ নুরে আলম উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি প্রধান শিক্ষক আলমগীর হোসেন। সাংগঠনিক সম্পাদক পদে জায়েদা খানম বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রউফ খান,
কোষাধ্যক্ষ পদে বাথুলীসাদী লাইলী বেগম উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শাহ আলম খান, দপ্তর সম্পাদক মিরিকপুর গঙ্গাচরণ তফশিলী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক আব্দুল কাদের মিয়া, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে বাথুলীসাদী লাইলী বেগম উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শাহ আলম (ছোট),
সমাজকল্যাণ সম্পাদক সোহেল রানা, সাংস্কৃতিক সম্পাদক বালিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক শহিদুর রহমান, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক লৌহজং উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক তাসলিমা আক্তার ও ধর্মীয় সম্পাদক পদে বাথুলীসাদী লাইলী বেগম উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নুরুল ইসলাম ও খুশি মোহন মন্ডলকে নির্বাচিত করা হয়।
১৯৯৫ সালে বাসাইল উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি গঠনের পর এই প্রথমবারের মতো তা ভেঙ্গে দু’অংশে বিভক্ত হলো। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির মূল কমিটির সভাপতি মীর মনিরুজ্জামান মনির ও সাধারণ সম্পাদক মো. ওসমান আলী মিয়া। এই মূল কমিটি থেকে বের হয়ে উপজেলার ৬টি বিদ্যালয় নিয়ে আরজু জমাদার ও হায়দার আলী খান নতুন কমিটি গঠন করলেন।
প্রসঙ্গত, সমিতির আয়-ব্যয়ের হিসেবে গড়মিল, প্রতিবারেই পকেট কমিটি গঠন, সমিতির টাকা আত্মাসাৎ, নেতাদের স্বেচ্ছাচারিতা, লেনদেনে অনিয়মসহ নানা অভিযোগে গত বছর থেকে সমিতিভূক্ত শিক্ষক-কর্মচারিদের মধ্যে ভাঙ্গনের গুঞ্জণ উঠে।
বাসাইলসংবাদ/একেবি




