
বাসাইলসংবাদ: মঙ্গলবার, ১২ মার্চ, ২০১৯:

নিজস্ব প্রতিবেদক, মির্জাপুর : দিনক্ষণ ঠিক। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ১৪ই মার্চ (বৃহস্পতিবার) টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে আসছেন নানা বিশেষনে বিশেসায়িত বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা। মির্জাপুর উপজেলা প্রশাসন সূত্রে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।
প্রধানমন্ত্রীর আগমন নিয়ে মঙ্গলবার (১২মার্চ) স্থানীয় সাংবাদিকদের নিয়ে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে কুমুদিনী কর্তৃপক্ষ। “দানবীর রণদা প্রসাদ সাহা স্মারক স্বর্ণপদক প্রদান” ও কুমুদিনীর ৮৬তম বর্ষপূর্তির অনুষ্ঠানে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী আসছেন বলে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সাংবাদিকদের জানানো হয়। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে সঙ্গী হিসেবে উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন শেখ রেহানাও। এছাড়াও তাঁর সফর সঙ্গী হিসেবে বেশ কয়েকজন মন্ত্রীসহ ৩৫০ জন সফরসঙ্গী থাকার কথা রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- কুমুদিনী উইমেন্স মেডিকেল কলেজের শিক্ষা উপদেষ্ঠা অধ্যাপক ডা. এম এ জলিল, কুমুদিনী উইমেন্স মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল হালিম, ভারতেশ্বরী হোমসের অধ্যক্ষ মো. আনোয়ারুল হক, ভারতেশ্বরী হোমসের উপাধ্যক্ষ গোলাম কিবরিয়া, শিক্ষক হেনা সুলতান প্রমুখ।
প্রধানমন্ত্রীর এই আগমন উপলক্ষে মির্জাপুর কুমুদিনী চত্বর নতুনভাবে সেজে উঠেছে, তৈরি করা হয়েছে রণদা প্রসাদ সাহার ম্যুরাল। এছাড়াও মির্জাপুর পৌর শহরের সৌন্দর্য বর্ধনেও নেয়া হচ্ছে নানা উদ্যোগ। নিরাত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করা হচ্ছে বেশ জোরালো ভাবে।

পুলিশ প্রশাসন, এনএসআইসহ বিভিন্ন নিরাপত্তা বিভাগ সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রীর এই আগমন উপলক্ষে মির্জাপুর তথা কুমুদিনী চত্বরে নিছিদ্র নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে।
তবে প্রধানমন্ত্রী মির্জাপুরে আসলেও দলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতা ও সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের দুই একজন ছাড়া সাধারনতো দুরস্থ দলের অন্য কারো সাথেই দেখা হবেনা তাঁর। কুমুদিনীর ভিতরে ওই অনুষ্ঠানে প্রবেশে থাকবে কড়াকড়ি অবস্থান। এদিকে দলের অনেক অন্ধভক্ত ও তৃনমূলের কর্মীরা তাদের নেত্রীকে কাছে পেয়েও দেখতে না পারার বিষয়টি এখন নানা জায়গায় আলোচিত। নেত্রীর মুখখানি কাছ থেকে দেখতে না পারার এই আক্ষেপ এখন অনেক আওয়ামী লীগ নেতা কর্মীর মুখে মুখে।
এ ব্যাপারে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মীর শরীফ মাহমুদ বলেন, এটি প্রধানমন্ত্রীর সরকারি সফর আর অনুষ্ঠানটিও কুমুদিনীর ভিতরে তাই দলের দুই একজন ছাড়া অন্য কারো ওখানে প্রবেশের সুযোগ নেই।
এর আগে সর্বশেষ ২০০৮ সালে বর্তমান সাংসদ আলহাজ¦ একাব্বর হোসেনের নির্বাচনী জনসভায় মির্জাপুর এস.কে মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এসেছিলেন জননেত্রী শেখ হাসিনা ।
বাসাইলসংবাদ/একেবি




