
নিউজ ডেস্ক : বিনোদন দুনিয়ায় একটি কথা খুব প্রচলিত- আলোচনায় থাকতে হবে। এই আলোচনায় থাকতে গিয়ে অনেকেই অনেক কিছু করেন। আলোচনায় থাকা এসব তারকা বরাবরই বলে থাকেন- আমরা চাই দর্শক-শ্রোতা আমাদের কাজের সমালোচনা করুক। যাতে আমরা নিজেদের ভুলগুলো শুধরে নিতে পারি। কিন্তু অভিনেত্রী রাফিয়াত রশিদ মিথিলা এমন এক বিষয়ে সমালোচিত হয়েছেন, যেটা নিয়ে তিনি নিজেই কথা বলতে চাচ্ছেন না। নির্মাতা ও পরিচালক ইফতেখার আহমেদ ফাহমির সঙ্গে তার অন্তরঙ্গ মুহূর্তের কিছু ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। সোমবার টেক বিনোদন নামে ফেসবুক গ্রুপে কয়েকটি ছবি পোস্ট করা হয়। পরবর্তী সময় ছবিগুলো ভাইরাল হয়। এ নিয়ে চলছে নানা তর্ক-বিতর্ক। মিডিয়ায় শুরু হয় তোলপাড়। বিষয়টি নিয়ে একটি বেসরকারি স্যাটেলাইট চ্যানেলে কথাও বলেছেন মিথিলা। তার ভাষ্যে, ‘এটা অস্বাভাবিক কোনো ছবি নয়।’ এ কথা বলেই ফোনের লাইন ডিসকানেক্ট করে দেন তিনি। পরবর্তী সময় আমাদের সময়ের পক্ষ থেকে মিথিলার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তার ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।

বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথিলাকে নিয়ে চর্চা হচ্ছে। এ নিয়ে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন ইফতেখার আহমেদ ফাহমি। তিনি লিখেছেন, ‘হ্যাঁ, মিথিলা আর আমার পরকীয়া হয়েছে। একবার নয়, অনেকবার। আর এটা নিয়ে মজা করার কিছুই নেই। আমরা দুজন জাস্ট ফ্রেন্ড।’ মিথিলার এমন ‘জাস্ট ফ্রেন্ড’ কলকাতার নির্মাতা সৃজিত মুখার্জিও। তাদের দুজনকে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে দেখা যায় প্রায়ই। ভারতীয় গণমাধ্যমে তাদের নিয়ে সংবাদও প্রকাশ হয়। বরাবরই তারা একে অপরকে ‘জাস্ট ফ্রেন্ড’ বলে দাবি করে আসছেন।
অন্যদিকে গেল সেপ্টেম্বর শোনা গিয়েছিল, তাহসানের সঙ্গে মিথিলার পুরনো প্রেম জেগে উঠেছে। তারা দুজনে একমাত্র মেয়ে আইরা তেহরীম খানকে নিয়ে একসঙ্গে ঘুরেছেন। ইনস্টাগ্রামে মেয়ের সঙ্গে আলাদা ছবিও শেয়ার করেন। এর আগে গত বছরে জন কবিরের সঙ্গে একটি ছবি নিয়েও সমালোচনার মুখে পড়েন মিথিলা। ভক্তরা ভেবেছিলেন, তাদের পুরনো প্রেম হয়তো আবার জোড়া লাগতে যাচ্ছে। এমনই ধারণা ছিল ভক্ত ও সমালোচকদের। কিন্তু নতুন ভাইরাল হওয়া ছবি সব ওলটপলট করে দিল।
সংগীতশিল্পী তাহসান খান ও মডেল-অভিনেত্রী মিথিলা ছিলেন বিনোদন জগতের অনেক তারকার কাছে আদর্শ দম্পতি। ২০১৭ সালের ২০ জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের বিচ্ছেদের ঘোষণা দেওয়ার পর অনেকেই হতাশ হন। তাহসান-মিথিলার বিয়ে হয় ২০০৬ সালের ৬ আগস্ট। ২০১৫ সালের দিকে আলাদা থাকতে শুরু করেন তারা। বাসাইলসংবাদ/একেবি




