
বাসাইলসংবাদ: মঙ্গলবার , ২৬ মার্চ, ২০১৯:

নিউজ ডেস্ক : স্বাধীনতা পদক বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রদত্ত সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পদক। ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের বীর শহীদদের স্মরণে ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতি বছর বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস ২৬শে মার্চ এই পদক প্রদান করা হয়ে আসছে। এই পুরস্কার জাতীয় জীবনে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত বিভিন্ন ক্ষেত্রে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশের নাগরিক এমন ব্যক্তি বা গোষ্ঠিকে প্রদান করা হয়ে থাকে। এছাড়াও ব্যক্তির পাশাপাশি জাতীয় জীবনের নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে অনন্য উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য প্রতিষ্ঠানসমূহকেও এই পুরস্কার প্রদান করা হয়ে থাকে।
বিভিন্ন ক্ষেত্রে গৌরবময় ও অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক স্বাধীনতা পদক-২০১৯ পেলেন ১৩ বিশিষ্ট ব্যক্তি ও এক প্রতিষ্ঠান। দেশের একটি প্রতিষ্ঠান ও ১৩ বিশিষ্ট ব্যক্তির হাতে তুলে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোমবার (২৫ মার্চ) সকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে তাদের হাতে দেশের সর্বোচ্চ এ বেসামরিক সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়।
স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্তরা হলেন, স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে শহীদ বুদ্ধিজীবী মোফাজ্জ্বল হায়দার চৌধুরী (মরণোত্তর), শহীদ এটিএম জাফর আলম (মরণোত্তর), মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী এ কে এম মোজাম্মেল হক, ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, ড. কাজী মিসবাহুন নাহার, আব্দুল খালেক (মরণোত্তর) ও অধ্যাপক মোহাম্মাদ খালেদ (মরণোত্তর), শওকত আলী খান (মরণোত্তর), চিকিৎসা বিজ্ঞানে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নুরুন্নাহার ফাতেমা বেগম, সমাজসেবায় ড. কাজী খলীকুজ্জামান আহমেদ, সংস্কৃতিতে মুর্তজা বশীর, সাহিত্যে হাসান আজিজুল হক, গবেষণা ও প্রশিক্ষণে অধ্যাপক ড. হাসিনা খাঁন। এছাড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব এগ্রিকালচারকে (বিআইএনএ) স্বাধীনতা পদক দেওয়া হয়।
মরণোত্তর পদকপ্রাপ্তদের পক্ষে তাদের প্রতিনিধিরা পুরস্কার গ্রহণ করেন। এছাড়া বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব এগ্রিকালচারের (বিআইএনএ) পক্ষে প্রতিষ্ঠানের মহাপরিচালক পদক নেন। পদকপ্রাপ্তদের মধ্যে ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন অনুভূতি ব্যক্ত করে বক্তব্য দেন। পরে পদকপ্রাপ্তরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ফটোসেশনে অংশ নেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বক্তব্য দেন।
অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. শফিউল আলম। এ সময় তিনি পদকে ভূষিত ব্যক্তিদের সংক্ষিপ্ত জীবনী ও তাদের অবদান বর্ণনা করেন।
পদক প্রাপ্ত সবাইকে ১৮ কেরেটের ৫০ গ্রাম সোনার মেডেল, ৩ লাখ টাকা ও একটি সনদ প্রদান করা হয়।
বাসাইলসংবাদ/একেবি




