
নিজস্ব প্রতিবেদক : উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে সারাদেশের মতো টাঙ্গাইলের ১২ টি উপজেলায় ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন শেষ হয়েছে। ৫ জুন চতুর্থ ধাপের ভোট গ্রহণের মাধ্যমে এ নির্বাচন শেষ হয়। চার ধাপের নির্বাচনে কোন বড় ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনার অভিযোগ শোনা যায়নি। প্রথম ধাপেরর নির্বাচনে মধুপুর ও ধনবাড়ী এ দুটি উপজেলাতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ভোটাধিকার প্রয়োগের শতকরা হারও ছিল চোখে পড়ার মতো। এ সির্বাচনে মধুপুর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন অ্যাডভোকেট ইয়াকুব আলী। একই ধাপে ধনবাড়ী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মো. আব্দুল ওয়াদুদ তালুকদার নির্বাচিত হন।

দ্বিতীয় ধাপে জেলার ভূঞাপুর, ঘাটাইল ও কালিহাতী এই তিন উপজেলাতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ভূঞাপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বর্তমান চেয়ারম্যান নার্গিস বেগম পুনরায় নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়াও ঘাটাইলে আরিফ হোসেন ও কালিহাতীতে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এএসএম সিদ্দিকী ওরফে আজাদ সিদ্দিকী চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হন। আজাদ সিদ্দিকী সাবেকমন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী এমপি এবং কৃষক শ্রমিক জনতালীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তমের ছোট ভাই।
তৃতীয় ধাপে জেলার সদর উপজেলা, নাগরপুর ও দেলদুয়ার এই তিনটি উপজেলাতে ভোট গ্রহণ হয়। সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে তোফাজ্জল হোসেন খান তোফা ও নাগরপুরে কেএম সালমান শামস্ চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছে। এছাড়াও দেলদুয়ার উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মাহমুদুল হাসান মারুফ দ্বিতীয়বারের মত চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হন।
চতুর্থ ধাপে জেলার গোপালপুর, মির্জাপুর, বাসাইল ও সখীপুর উপজেলাতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। গোপালপুরে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি কেএম গিয়াস উদ্দিন, মির্জাপুরে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাবেক সংসদ সদস্য প্রয়াত একাব্বর হোসেনের ছেলে তাহরীম হোসেন সীমান্ত ও সখীপুরে উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মুহম্মদ সাইদ মিয়া। এছাড়াও বাসাইল উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য কাজী অলিদ ইসলাম পুনরায় নির্বাচিত চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন।
প্রথম ধাপে ভোটাধিকার প্রয়োগের হার চোখে পড়ার মতো হলেও অন্যান্য তিন ধাপে ভোটার উপস্থিতি অনেকটা কম ছিল। ভোটারদের একটি অংশ জানিয়েছেন, ধান কাটার মৌসুম থাকায় ভোটার উপস্থিতি কম ছিল। তবে ভোটারদের আরেকটি অংশ বলছেন, ভোটে অনিহার কারণেই ভোট কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি কম ছিল।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. মতিয়ূর রহমান বলেন, উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন শেষ হযেছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতা, প্রশাসনিক তৎপরতা ও নির্বাচন অফিসের প্রচেষ্টায় উপজেলা পরিষদ নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে।
বাসাইলসংবাদ, ০৭ জুন, ২০২৪ / একেবি
সকলের অবগতির জন্য নিউজটি শেয়ার করুন






