
নিজস্ব প্রতিবেদক : টাঙ্গাইলের নাগরপুরে পৃথক পৃথক ভাবে দুই নববধু ও এক স্কুলছাত্রের আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে শনিবার সকালে মর্গে প্রেরন করেছে। শুক্রবার সকালে উপজেলার জালাই, সন্ধ্যায় চৌধুরি ডাঙ্গায় ও সকালে বেকড়া গ্রামে এ ঘটনাগুলো ঘটে।

জানা যায়, উপজেলার চৌবাড়িয়া গ্রামের সরোয়ারের স্ত্রী রুকসানা বেগম (১৮) শুক্রবার সন্ধ্যায় তার বাবার বাড়ী চৌধুরী ডাঙ্গা গ্রামের বিদেশী মিয়ার বসত বাড়ীর টিনের ঘরে বাঁশের ধন্নার সাথে গলায় ওড়না পেচিয়ে ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করেন।
একই দিনে সকালে উপজেলার সাতগাছা গ্রামের রাজুর স্ত্রী সুমি (১৮) জালাই গ্রামের আব্দুর রহিমের বাড়ীতে ধর্নার সাথে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করেন।
অপর দিকে উপজেলার বেকড়া গ্রামের লূৎফর রহমানের ছেলে ইমরান (১৪) বিষ পান করে আত্মহত্যা করেছে। শনিবার সকালে তাকে ঢাকা নেয়ার পথে মারা যায়।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, ইমরান স্থানীয় নয়ান খান মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র। সে বেশ কয়েকদিন যাবৎ মোবাইল ফোন কিনে দেওয়ার আবদার করছিল। কিন্তু অভিভাবক এত ছোট বয়সে মোবাইল ফোন দিতে চাচ্ছিল না। আর মোবাইল ফোন না পেয়ে সে আত্মহত্যা করে ।
এ সকল ঘটনায় নাগরপুর থানায় অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে। থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে দুই নববধুর লাশ উদ্ধার করে শনিবার টাঙ্গাইল মর্গে প্রেরন করেছে।
নাগরপুর থানার (ওসি) তদন্ত গোলাম মোস্তফা মন্ডল জানান, আত্মহত্যার সংবাদ পেয়ে দুইটি লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল মর্গে প্রেরন করা হয়েছে। অপর একটি লাশ পারিবারিকভাবে দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
...বাসাইলসংবাদ/১১ জানুয়ারি/একেবি
প্রয়োজনে নিউজটি শেয়ার করুন




