
নিজস্ব প্রতিবেদক : টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে দেশীয় জনপ্রিয় ইলেকট্রনিক্স ব্র্যান্ড মার্সেলের চলমান ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২৪ এর আওতায় ৩৭ হাজার ৩৯০ টাকায় মার্সেলের ফ্রিজ কিনে নগদ ১০ লাখ টাকা পেয়েছেন হাবিবুর রহমান নামের এক বেকার যুবক। সোমবার (১১ মে) বিকেলে উপজেলার তক্তারচালা বাজারে আনুষ্ঠানিকভাবে তার হাতে ১০ লাখ টাকা তুলে দেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান এবং অভিনেতা ইরফান সাজ্জাদ।

হাবিবুর রহমান উপজেলার পেকুয়া দক্ষিণ পাড়া গ্রামের বাসিন্দা। হাবিবুর ২০২১ সালে সরকারি সাদত কলেজ থেকে বাংলায় মাস্টার্স করেন। এরপর তিনি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কয়েক মাস চাকরি করে বাড়িতেই বেকার সময় পার করছেন।
চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে মার্সেলের হেড অব বিজনেস হোসেন রুহিন সাব্বির, ডেপুটি হেড অব বিজনেস মতিউর রহমান, এডিশনাল এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মোস্তাফিজুর রহমান, হোম ইলেকট্রনিক্স শোরুমের স্বত্বাধিকারী আব্দুল গনি মিয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
হাবিবুর রহমান বলেন, ‘ফ্রিজ কিনে দুই-তিনশ টাকা পাওয়া যায়, এটা আমার জানা ছিল। কিন্তু লাখ লাখ টাকা পাওয়া সেটা নাটক সিনেমায় দেখতাম। মার্সেল থেকে আমি ১০ লাখ টাকা পেয়ে তা বাস্তবে প্রমাণ হলো। আমার খুব ভালো লাগছে। মার্সেলের ১০ লাখ টাকা দিয়ে বিদেশ যাওয়ার স্বপ্ন পূরণের চেষ্টা করবো।’
বিনিয়োগের মাধ্যমে দেশীয় উদ্যোক্তা হবারও আগ্রহ রয়েছে বলেও তিনি জানান।
অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান বলেন, ‘আমি কখনও এমন অনুষ্ঠানে যাইনি। আজ এসে খুব ভালো লাগছে। মার্সেলের পণ্যের গুণগত মান অনেক ভাল। আমি নিজেও কিছু পণ্য ব্যবহার করি। মার্সেলের পণ্য কিনলেই নানান সুবিধা পাওয়ার সুযোগ আছে। দেশীয় পণ্য কেনার পাশাপাশি দেশের উন্নয়নেও অংশ নেয়া যায়।’
অভিনেতা ইরফান সাজ্জাদ বলেন, ‘মার্সেল শুধু নিজেদের ব্যবসার লাভের চিন্তা করে না। তারা ক্রেতাদের সুবিধার কথাও চিন্তা করে। দেশব্যাপী মার্সেলের পণ্য কিনে হাজার হাজার ক্রেতা স্বাবলম্বী হচ্ছেন। ফ্রিজসহ মার্সেলের ইলেকট্রনিকসের পণ্য বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী।’
মার্সেলের হেড অব বিজনেস হোসেন রুহিন সাব্বির বলেন, ‘মার্সেল আমাদের দেশীয় ব্র্যান্ড। দেশীয় পণ্য কেনা মানে জাতীয় অর্থনীতিতে অংশ নেয়া। মার্সেলে হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। মার্সেল পণ্য কিনে কোরবানির ঈদ পর্যন্ত ১০ লাখ টাকাসহ নানান ধরনের সুবিধা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। গত এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে আমরা দেশের বিভিন্ন জেলার মার্সেলের ক্রেতাদের মাঝে লাখ লাখ টাকার ক্যাশ ভাউচার বিতরণ করেছি। আজকে ১০ লাখ টাকা সরাসরি একজনের হাতে তুলে দিতে পেরে অনেক ভালো লাগছে। মার্সেলের পণ্য আমরা নিজেরা ব্যবহার করব এবং সবাইকে ক্রয় করতে উৎসাহিত করবো।’
বাসাইলসংবাদ, ১১ মে, ২০২৬ /একেবি
সকলের অবগতির জন্য নিউজটি শেয়ার করুন





