
বাসাইলসংবাদ: রবিবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০১৮:

নিজস্ব প্রতিবেদক:
ভোটাররাই আমার ভরসা। ভোটারদের ডাকে ও অনুপেরনায় আমি নির্বাচনে এসেছি। একবার নয় প্রয়োজনে দশ বার ভোটারদের কাছে যেতে হবে। তাদের কাছে বসতে হবে। আমাকে নিজেদের ঘরের ছেলে মনে করিয়ে দিয়ে লাঙ্গল প্রতিকে ভোট চাইতে হবে।
যদি আপনারা আমাকে ঘরের ছেলে নিজেদের লোক মনে করেন তাহলে তাহলে এই মুহুত্বে থেকে ভোটারদের বাড়ী বাড়ী যান। টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের দিন ব্যাপী বিভিন্ন নির্বাচনী সমাবেশে উপস্থিত কর্মী-সমর্থক ও ভোটার এবং উপজেলাবাসীর উদ্দেশ্যে এসব কথা বলেন পীরজাদা সফিউল্লাহ আল মুনির।
তিনি জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী হয়ে লাঙ্গল প্রতিক নিয়ে টাঙ্গাইল সদর আসনে দিন-রাত নির্বাচনী সভা-সমাবেশ ও ভোটারদের ধারে ধারে গিয়ে ভোট চাচ্ছেন।
নির্বাচনী সভায় বৃদ্ধ থেকে শুরু করে সকল শ্রেণীর নারী-পুরুষ ও শিশুরাও তাকে একনজর দেখার জন্য এবং তাকে বরণ করার জন্য আসেন।

শিশু ও শিক্ষার্থীদের মাঝেও তিনি বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন। শিক্ষার্থীরা সুযোগ পেলেই তার কাছে গিয়ে কথা বলছেন। ফুলেল শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন।
তিনিও তাদের সাথে কুশল বিনিময় করে আদর জানাচ্ছেন। বৃদ্ধরা তার কাছে বিভিন্ন আবদার জানিয়ে মাথায় হাত বুলিয়ে দোয়া করে দিচ্ছেন।
মহিলা ভোটাররা উৎসাহিত হয়ে হাঁসি মূখে তাকে ভোট দেয়ার আশ্বাস দিচ্ছেন।
যার কারণে তিনি নির্বাচনী এলাকায় খুবই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন। শহর ও গ্রামের ছোট ছোট শিশুদের মূখেও লাঙ্গল প্রতিকের নাম সহজেই শুনা যায়।
পীরজাদা সফিউল্লাহ আল মুনির নিজ হাতে মাইকিংয়ের মাধ্যমে নিজের প্রচার নিজেই চালাচ্ছেন।
তার সহ্রাধিক কর্মী থাকা সত্বেও তিনি নিজেকে জনগণের সাথে মিশিয়ে নিচ্ছেন। ভোটারদের কাছে একটি বার সদর উপজেলার নির্বাচনী এলাকার উন্নয়নের সুযোগ চাচ্ছেন।
তার নির্বাচনী বক্তব্য নবীন ভোটারদের খুবই আকর্শন করেছে। নিজ উদ্যোগে নবীন ভোটাররা মোটরসাইকেল নিয়ে বিভিন্ন ওয়ার্ডে লাঙ্গল প্রতিকের মিছিল করছেন।
তিনি হিংসা, বিদ্বেস ও সহিংসতায় বিশ^াসী নয়। তিনি ভোটারদের পাশে থেকে নির্বাচনী এলাকায় উন্নয়নে বিশ^াসী।
তিনি ভোটারদের কাঁদতে নয়, সর্বক্ষন হাসতে দেখতে চান। সে কারনেই তার বক্তব্য ভোটারদের খুবই প্রিয়।
সদর উপজেলাবাসী উন্নয়নে তিনি দলমত নিবিশেষে সকলকেই লাঙ্গল প্রতিকে ভোট দেয়ার অনুরোধ জানান।
পীরজাদা সফিউল্লাহ আল মুনির জানান, দলমত নির্বিশেষে নির্বাচনী এলাকার সকলকেই আমার সুভাকাঙ্গী মনে করি। যে কারনে যখন যেখানে আমার ডাক পরছে আমি সেখানেই গিয়েই হাজির হচ্ছি। আমি সদর উপজেলাবাসীর ঘরের ছেলে। সেই হিসেবে আমি তাদের কাছে ভোট চাচ্ছি।
আমি নির্বাচনে না এসেও দীর্ঘ প্রায় দশ বছর যাবৎ নিজ উদ্যোগে উপজেলাবাসীর পাশে থেকেছি। তাদের সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করেছি। তাদের সহযোগিতা ও সমর্থন নিয়ে নির্বাচনে এসেছি।
সুতরাং ভোটাররা আমার পাশে থাকলে এ উপজেলায় নব দিগন্তের সৃষ্টি হবে।
বাসাইলসংবাদ/একে




