
নিজস্ব প্রতিবেদক : টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে দায়সারাভাবে পালন করা হয়েছে বিশ্ব খাদ্য দিবস। এদিকে দিবসটি পালন করতে গিয়ে করা হয়েছে যা’তা কর্মকান্ড। আর উপজেলা প্রশাসনের এমন কর্মকান্ডে বইছে আলোচনা সমালোচনার ঝর।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানাযায়, দিবসটি যথাযথ ভাবে পালনের দায়িত্ব অর্পণ করা হয় উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরকে। এলক্ষ্যে সকাল ১১টার দিকে কৃষিসম্প্রসারণ অফিসের সামনের বারান্দা থেকে হাতেগুনা কয়েকজনকে নিয়ে একটি র্যালি বের করেন। র্যালিটি পাঁচগজ দূরের অডিটোরিয়াম হল রুমের সামনে গিয়ে শেষ করেন তারা। এরপর উপজেলা পরিষদ হলরুমে আলোচনাসভার আয়োজন করা হয়। এতে কয়েকজন কৃষি অফিসের কর্মচারী ও একজন কৃষক লীগের এক নেতার উপস্থিতে প্রধান আলোচক ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছা. নাসরীন পারভীন। নির্বাহী অফিসারের বক্তব্যকালের সবটুকো সময় খাওয়া-দাওয়ায় ব্যস্ত সময় পার করেন আয়োজক কর্মকর্তারা।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে বইছে আলোচনা সমালোচনার ঝর।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি অফিসার মো. জিয়াউর রহমান জানান, এ প্রোগামটি খাদ্য কর্মকর্তাদের। কিন্তু বিশ্ব খাদ্য দিবস পালনের করার জন্য কৃষি মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে উপজেলা কৃষি সম্প্রারণ অধিদপ্তর উদ্যোগে আয়োজন করা হয়। নিরাপদ খাদ্য অধিদপ্তর কোনো বাজেট দেয়নি। যা খরচ করছি সেটি আমাদের কৃষি অফিসের তহফিল থেকে। তবে কতটাকা খরচ করা হয়েছে তা জানতে চাইলে এ বিষয়ে তিনি কোন উত্তর দেননি। পরে বিষয়টি নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেন তিনি।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছা. নাসরীন পারভীন বলেন, কৃষি কর্মকতাকে বলা হয়েছিলো প্রতিটি দপ্তরের কর্মকতা ও জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিত রাখতে। তিনি তা মানেননি। এর কারন চাইলে কৃষি কর্মকতা অামাকে জানান সবাইকে জানানো হয়েছে। কেউ উপস্থিত হয়নি। কোন সরকারি অনুষ্ঠানই দায়সারাভাবে পালনের সুযোগ নেই।
তিনি আরও বলেন, অামি কেবলমাত্র এসেছি। আগামীতে যাতে সরকারি অনুষ্ঠান যথাযথভাবে পালিত হয় তা কঠোরভাবে মনিটর করা হবে।




