
নিজস্ব প্রতিবেদক : টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার রাশড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবনের ফ্লোরে বন্যার পানি থৈ থৈ করছে। রাস্তা-ঘাটেও পানি। এজন্য বিকল্প উপায়ে বিদ্যালয়ের পাশের বাড়ির ওঠান ও ঘরে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করানো হয়েছে। তবে শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ের পরিবর্তে পাশের বাড়িতে পাঠদান করেও আনন্দিত।

জানা যায়, জেলার বাসাইল উপজেলা নিম্নাঞ্চল। বর্ষা মৌসুমে অল্প পানিতেই বিভিন্ন এলাকার রাস্তা-ঘাট, বাড়ি ও বিদ্যালয় ডুবে যায়। উপজেলার ৭৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৫২টি বিদ্যালয়ের মাঠ ও ক্লাসরুমে পানি রয়েছে। এছাড়াও ৪০টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মাদরাসা ও কলেজের মাঠে ও ক্লাসরুমে পানি ঢুকেছে। এরমধ্যে তিনটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ফ্লোরে পানি থাকায় দুইটিতে দ্বিতীয় তলায় ও বিকল্প হিসেবে অপরটির পাঠদান চলছে পাশের বাড়ির ওঠানে ও ঘরে।
রাশড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হোসনেআরা আক্তার বলেন, ‘বিদ্যালয়ের ফ্লোরে এখনও দুই থেকে আড়াই ফিট পানি রয়েছে। সেখানে পাঠদান করানোর মতো অবস্থা নেই। তাই বিকল্প হিসেবে বিদ্যালয় সংলগ্ন আব্দুল কাদেরের বাড়িতে প্রথমদিনের পাঠদান সম্পন্ন করেছি। বন্যার পানি নেমে গেলে শ্রেণি কক্ষেই পাঠদান করানো হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রথমদিনে পঞ্চম ও তৃতীয় শ্রেণী ছাড়াও উৎসাহিত হয়ে অন্যান্য ক্লাসেরও শিক্ষার্থীরা এসেছিল। এ বিদ্যালয়ে ১১০ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। এরমধ্যে প্রায় ৩৫জন শিক্ষার্থী এসেছিল। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে তাদের ক্লাস নেওয়া হয়েছে। সেখানে প্রতিটি শিক্ষার্থীকে মাস্ক দেওয়া হয়েছে। হ্যান্ড স্যানেটাইজারসহ সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা ছিল।’
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সদানন্দ পাল বলেন, ‘উপজেলায় ৭৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়েই একযুগে পাঠদান শুরু হয়েছে। তবে তিনটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ফ্লোরে পানি থাকায় দুইটিতে দ্বিতীয় তলায় ও বিকল্প হিসেবে অপরটির পাঠদান সম্পন্ন হয়েছে পাশের বাড়ির ওঠানে ও ঘরে।
বাসাইলসংবাদ/ ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২১ / একেবি
সকলের অবগতির জন্য নিউজটি শেয়ার করুন




