
বাসাইলসংবাদ: শুক্রবার, ৩০ নভেম্বর, ২০১৮:

বাসাইলসংবাদ ডেস্ক :
আসন্ন নির্বাচনে দেশের ছয়টি আসনে ইভিএম ব্যবহার করা হবে। ইভিএম ব্যবহার করা আসনগুলো হলো, ঢাকা-৬, ১৩, চট্টগ্রাম-৯, রংপুর-৩, খুলনা-২ ও সাতক্ষীরা-২। এই ৬টি আসনের সবগুলো ভোট কেন্দ্রে ইভিএম ব্যবহার করা হবে। ফলে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ভোট গ্রহণ সম্ভব হবে। যেখানে কারচুপির কোনো সুযোগ থাকবে না। আর এতেই রাতের ঘুম হারাম হয়েছে কিছু শ্রেণীর মানুষের। কারণ, তাদের মূল হাতিয়ারই হচ্ছে দুর্নীতি, অবৈধ পদ্ধতি, অপরাধ, অর্থকেলেঙ্কারি। আশা করা যাচ্ছে এই বিশেষণের অন্তর্ভুক্ত কোন শ্রেণীর মানুষ বা কোন দল তা ইতোমধ্যে পাঠকরা বুঝতে পেরেছেন। দেশের দুর্নীতিতে স্বনামধন্য দল বিএনপির কথা এখানে বলা হচ্ছে।
জনগণের সঠিক মতামতে তাদের নির্বাচনে সিকি খানা জনসমর্থন পাওয়ার কথা নয়। এজন্য জাল ভোট, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে নির্বাচনকে বানচাল করাই তাদের উদ্দেশ্য ছিল। কিন্তু ইভিএম ব্যবহারের মাধ্যমে তাদের সুযোগ অনেকটা হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে। শুধু বিএনপিরই নয় বিএনপির সাথে নতুন যুক্ত ঐক্যফ্রন্টের সদস্যদেরও একই অবস্থা। তাদের মূল সমস্যা ইভিএম। তাদের ভাষ্যমতে ইভিএম ব্যবহার পুরোপুরি ভিত্তিহীন
এটি একটি অগণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। এ যেন ভূতের মুখে রাম নাম। আসলে এর পিছনে রয়েছে বিশাল কালো উদ্দেশ্য। ইভিএমকে প্রশ্নবিদ্ধ করে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করার টার্গেটে রয়েছে বিএনপি। আর যারা মনোনয়নপত্র ভুয়া নেতাকর্মীদের দিতে পারে তাদের জন্য এই ধরণের ছলচাতুরি খুবই মামুলি বিষয়।
ঐক্যফ্রন্ট, নাম শুনলেই মনে হয় ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ একটি দল। যা কিনা মিলিত হয়েছে বিএনপির সাথে। কিন্তু বাস্তব অন্তত নিষ্ঠুর। ঐক্যফ্রন্ট যুক্ত হওয়ার পর বিএনপির কোন্দল আরও বেশি বেড়ে গেছে। আসন ভাগাভাগি নিয়ে কোন্দল এখন চরম আকার ধারণ করেছে। কিন্তু সব কিছু ছাপিয়ে ইভিএমই তাদের সাজানো স্বপ্ন নষ্ট করে দিয়েছে। কারণ ইভিএম ব্যবহার করার ফলে জনগণের মতামত সঠিক ভাবে প্রকাশ পাবে। আর মতামত সঠিক ভাবে প্রকাশ পেলেই বিএনপির লক্ষণীয় মাত্রায় ভরাডুবি হবে। ইভিএম বিএনপি ঐক্যফ্রন্টের সামনে অনেকটা দুঃস্বপ্নের মতো এসে হাজির হয়েছে।
সূত্র- অদ্বিতীয় বাংলা
বাসাইলসংবাদ/একে




