
বাসাইলসংবাদ: শুক্রবার, ৩০ নভেম্বর, ২০১৮:

বাসাইলসংবাদ ডেস্ক :
ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে অক্টোবরে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠিত হয়। বিএনপি এই জোটের মূল দল হওয়া সত্ত্বেও ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক করা হয় গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেনকে। দেশের পুরাতন দলগুলোর সাথে জনসমর্থের দিক থেকে বেশি দূর এগোতে পারবে না নতুন গঠিত দলগুলো।
এজন্য তারা পুরাতন দলের ছত্রছায়ায় আসন্ন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নেন। এই সিদ্ধান্ত সাদরে গ্রহণ করে বিএনপি। কারণ বিএনপিতে বর্তমানে চলছে নেতাকর্মী শূন্যতা। সেই সাথে ঠিক নেই দলের চেয়ারপারসন। দলের জনমানুষহীন এই অবস্থায় ঐক্যফ্রন্টকে নিয়ে দলে বলে আগানোর চিন্তা করেছিলেন ফখরুল। কিন্তু কথায় আছে ‘অভাগী যেখানে যায় সেখানেই সাগর শুকিয়ে যায়’ সেই রকম হয়েছে অবস্থা। অন্তঃকোন্দল, মতের ভিন্নতা, রেষারেষি যেন পিছু ছাড়ছে না বিএনপির।
এত ঐক্য, এত ভালোবাসা সব ভেস্তে গেছে, যখন আসন নিয়ে কথা উঠে। ড. কামাল বিএনপিকে অনেকটা মামাবাড়ি মনে করা শুরু করেছিলেন। এজন্য তিনি ফখরুলকে ১০০ আসনের আবদার করেন। আর এতেই চিড় ধরে ঐক্যতে। অন্যদিকে ১০০টি আসন কামালকে দিতে নারাজ ফখরুল। শুধু তাই নয় মনোনয়ন দেয়ার ক্ষেত্রে তারেকের হস্তক্ষেপও ভাবিয়ে তুলছে ড. কামালকে।
আসন নিয়ে ফখরুল-কামাল দ্বন্দ্ব জোরালো রূপ নিয়েছে মূলত আসনকে কেন্দ্র করে। এতে বুঝা যায় পরগাছা-আগাছাদেরও ইচ্ছা হয় বৃক্ষের মতো ডালপালা ছড়াতে। আর এই ইচ্ছাটাই এখন কাল হয়ে দাঁড়ালো। আসন নিয়ে ফখরুল-কামাল দফায় দফায় সমঝোতার বৈঠক করছেন। কিন্তু সেই বৈঠকে চিড়ে ভিজছে না। সাধারণত কোনো সমঝোতার বৈঠকে মীমাংসার জন্য কাউকে না কাউকে কোনো বিষয়ে ছাড় দিতে হয় অথবা আলোচনা এ রকমভাবে করা হয় যাতে দুই পক্ষেরই উপকার হয়। কিন্তু এই ক্ষেত্রে দুই দলই অনড় ভূমিকা পালন করছে।
এখন দেখার বিষয় যদি ১০০টির কম আসন তাকে দেয়া হয় তাহলে কত দূর এগোয় তিনি !
সূত্র- অদ্বিতীয় বাংলা
বাসাইলসংবাদ/একে




