
নিজস্ব প্রতিবেদক : কামরুল সিকদার স্কুলজীবনের ১৯৯১ সাল থেকে টাঙ্গাইলের সখীপর পৌর ছাত্রদলের কর্মী হিসেবে রাজনীতিতে পা রাখেন। তিনি ১৯৯৭ সালে সখীপুর পিএম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় (বর্তমানে সখীপুর পিএম পাইলট মডেল গভঃ স্কুল এন্ড কলেজ) থেকে এসএসসি পাশ করেন। তিনি ১৯৯১ সাল থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত সখীপুর পৌর ছাত্রদলের একজন সক্রিয়কর্মী হিসেবে কাজ করেন। এরপর তিনি ২০০২ সাল থেকে পৌর যুবদলে যোগ দেন। ২০১০ সালে তিনি সখীপুর পৌর যুবদলের যুগ্ম আহবায়কের দায়িত্ব পান। এরপর আবার ২০১৩ সালে আহবায়ক কমিটিতে তিনি যুগ্ম আহবায়কের দায়িত্ব পান। ২০১৭ সালে পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে তিনি সভাপতি নির্বাচিত হন। চলতি বছরের ১৫ সেপ্টেম্বর পৌর যুবদলের কমিটিতে তিনি ভোটের মাধ্যমে আহবায়ক নির্বাচিত হন। কামরুল সিকদার নিজেই এসব তথ্য জানান।

চলতি বছরের ১৫ সেপ্টেম্বর কামরুল সিকদারকে আহবায়ক এবং কায়সার কাশেমকে যুগ্ম আহবায়ক ঘোষণা করা হয়। সখীপুর রাজু ক্যাডেট স্কুলে আয়োজিত সভায় কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সভাপতি জাকির হোসেন নান্নু প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ কমিটি ঘোষণা করেন। এসময় কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সভাপতি মজিবুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
সখীপুর পৌর যুবদলের আহবায়ক কামরুল সিকদার বলেন, ‘২০১০ সালে সেনানিবাসের বাড়ি থেকে খালেদা জিয়াকে বের করে দেয়ার সময় আমাকে আটক করা হয়। ওয়ান-ইলেভেন-এ আমাকে আটক করা হয়। এরপর ২০১৯ সালে রাজনৈতিক মামলায় আটক করা হয়। দীর্ঘদিন কারাভোগ করতে হয়েছে। আমার বিরুদ্ধে এ পর্যন্ত প্রায় ১৫টি মামলা হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন. ‘আমি ছাত্রজীবন থেকে সখীপুর পৌর ছাত্রদলের রাজনীতিতে পা রাখি। দলের জন্য বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক মামলায় জেল খাটতে হয়েছে। সখীপুরের তৃণমূলের নেতাকর্মীরা আমার সঙ্গে রয়েছে। তাদের সঙ্গে নিয়েই আমাগীর পথ পাড়ি দিতে চাই।
এদিকে কামরুল সিকদার বাসাইল উপজেলার কাউলজানী ইউনিয়নের কলিয়া ৬ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য হয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনা চলছে।
সখীপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শাহজাহান সাজু বলেন, ‘কামরুল সিকদার স্কুলজীবন থেকে সখীপুরের রাজনীতি করে আসছে। আমি ২০০৩ সালে দলের প্রথম দায়িত্বে আসি। ২০০৩ সাল থেকে তিনি আমার সাথে মিছিল, মিটিং, সভা-সমাবেশ করে আসছে। তিনি একজন দলের সক্রিয় নেতা। সখীপুরে তার বাড়ি রয়েছে। সেখানে তিনি ৩০ বছর ধরে বসবাস করছেন। স্ত্রী ও সন্তানও বসবাস করছে। আমার সঙ্গে তিনি ওয়ান-ইলেভেন-এ জেল খেটেছে। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন সময় জেল খেটেছে। একাধিক মামলাও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।’
তিনি আরও বলেন, ‘একজন রাজনৈতিক কর্মী বা নেতা কোন এলাকার ভোটার এটা বড় বিষয় নয়। একজন কর্মী বা নেতা নিয়মিত মিছিল-মিটিং, সভা, সমাবেশ- এ অংশ নেন কিনা এটা বড় বিষয়। কামরুল সিকদার সখীপুরের সকল মিছিল-মিটিং-এ নিয়মিত অংশ গ্রহন করেন। তিনি বাসাইলের ভোটার কিনা এটা আমাদের কাছে মূখ্য বিষয় নয়। আমাদের কাছে মূখ্য বিষয় হলো- তিনি নিয়মিত মিছিল, মিটিং, সভা-সমাবেশে অংশ নেন কিনা। কামরুল সিকদার একজন ত্যাগী নেতা।’
বাসাইলসংবাদ/ ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২০ /একেবি
সকলের অবগতির জন্য নিউজটি শেয়ার করুন




