
নিজস্ব প্রতিবেদক : ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে বাস-মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ছয় জন প্রাণ হারিয়েছেন। এ ঘটনায় বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্বপ্রান্তের গোলচত্বর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- মাইক্রোবাসের চালক কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার কুটুম্বপুর গ্রামের মৃত ফজলুল হকের ছেলে দুলাল হোসেন (৫২), তার সহযোগী সুশিল চন্দ্র শীল (৪৫), পাবনার বিএডিসির যুগ্ম-পরিচালক (সার) জহিরুল ইসলাম (৫০), বগুড়া সদরের জলসিড়ি গ্রামের হেলাল উদ্দিনের ছেলে রিফাত (৩৫), রিফাতের মা রুবি বেগম (৬৫) ও নাটোর সদরের বড়াই গ্রামের আব্বাস আলীর ছেলে তামিম (৭)। অপরজনের পরিচয় পাওয়া যায়নি।
জেলা প্রশাসক ড. আতাউল গনি বলেন, ‘দুর্ঘটনায় ৬ জন নিহত হয়েছেন। হাসপাতালে ৫ জন ভর্তি আছেন। নিহতদের প্রত্যেক পরিবারকে ২০ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। আহতদের চিকিৎসার ব্যয় আমরা বহন করবো।
তিনি আরও বলেন, ‘অতিরিক্তি জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবুল হাশেমকে প্রধান করে বিআরটিএ, পুলিশ ও হাইওয়ে পুলিশের একজন করে প্রতিনিধি নিয়ে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী সাত কার্য দিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।’
বঙ্গবন্ধু সেতু থানার ওসি শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘উত্তরবঙ্গ থেকে ছেড়ে আসা একতা পরিবহনের একটি বাস ঢাকার দিকে যাচ্ছিল। বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মাইক্রোবাস ঘটনাস্থলে পৌঁছালে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে বাস ও মাইক্রোবাসের সামনের অংশ দুমড়ে মুচড়ে যায়। এ ঘটনায় তিন জনের লাশ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। আর গুরুতর আহত কয়েকজনকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে ডাক্তার আরও তিন জনকে মৃৃত ঘোষণা করেছেন।’
বাসাইলসংবাদ, ০৬ অক্টোবর ২০২২ / একেবি
সকলের অবগতির জন্য নিউজটি শেয়ার করুন




