
বাসাইলসংবাদ: রবিবার, ২৫ আগস্ট, ২০১৯:

নিউজ ডেস্ক : কাশ্মির নিয়ে ভারত সরকার কী চিন্তা-ভাবনা করছে এবার নরেন্দ্র মোদির মুখেই তা শুনতে চান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। জি-৭ সম্মেলনের ফাঁকে ট্রাম্প ও মোদির বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে এক মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন। গত ৫ আগস্ট ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিল করে জম্মু-কাশ্মির রাজ্যের মর্যাদা কেড়ে নেওয়ার পাশাপাশি রাজ্যটিকে আলাদা দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ঘোষণা করে মোদি সরকার। তার পর ইন্টারনেট, টেলিফোনসহ যাবতীয় যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন করা হয়। বন্দি করা হয় চার শতাধিক রাজনীতিককে। এ নিয়ে কাশ্মির এখন ক্ষোভে ফুঁসছে।
এমন পরিস্থিতিতে শনিবার ট্রাম্প প্রশাসনের এক পদস্থ কর্মকর্তা জানান, কাশ্মিরে মানবাধিকারকে কীভাবে কতটা মর্যাদা দেওয়া হবে, ভারতীয় উপমহাদেশে উত্তেজনা নিরসনে কী কী চিন্তা-ভাবনা রয়েছে নরেন্দ্র মোদির- সেটা জানতে চান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর তা তিনি শুনতে চান খোদ ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর মুখ থেকেই।
ভারতীয় গণমাধ্যম বলছে, আগামী ২৬
আগস্ট ফ্রান্সে
জি-৭
জোটের দেশের
শীর্ষ সম্মেলেনের
ফাঁকে ট্রাম্প
ও মোদির
বসার কথা
রয়েছে। সেখানেই
উঠতে পারে
কাশ্মির প্রসঙ্গ।
মার্কিন প্রশাসনের
ওই কর্মকর্তা
বলেছেন, ‘আশা
করছি, এবার
আলোচনায় ভারত
ও পাকিস্তানের
ইস্যুটি উঠবে।
কাশ্মিরে মানবাধিকার
রক্ষা ও
ভারতীয় উপমহাদেশে
অস্থিরতা নিরসনে
কী কী
ভাবনা রয়েছে,
তা ভারতের
প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকেই শুনতে চাইতে
পারেন প্রেসিডেন্ট
ট্রাম্প।’
আনন্দবাজার বলছে, ট্রাম্প প্রশাসনের ওই কর্মকর্তা স্বীকার করেছেন যে, ‘কাশ্মির যে ভারত ও পাকিস্তানের ঘরোয়া সমস্যা, তা নিয়ে কোনো সংশয় নেই।’
নাম উল্লেখ না করা ওই কর্মকর্তা আরো বলেছেন, ‘প্রেসিডেন্ট চান, কাশ্মির সমস্যায় জড়িত সব পক্ষই আলোচনায় বসুক। কাশ্মিরের যোগাযোগ ব্যবস্থা ও যাতায়াতের ওপর থেকে ভারত সব রকমের নিষেধাজ্ঞা তুলে নিক। আর কাশ্মিরে বিক্ষোভকারীরাও নিজেদের সংযত রাখুক।’
বাসাইলসংবাদ/একেবি




