
নিউজ ডেস্ক : ক্রিকেটের অভিভাবক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) দেওয়া এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিধস্ত বাংলাদেশের ক্রিকেট। জুয়াড়ির দেওয়া প্রস্তাবের তথ্য না জানানোয় টেস্ট ও টি–টোয়েন্টির সাবেক অধিনায়ক সাকিব আল হাসানকে দুই বছরের নিষেধাজ্ঞা দিয়ে এই প্রেস বিজ্ঞপ্তি দেয় আইসিসি। এই ধাক্কা সামলে উঠতে না উঠতেই ভারত সফরের জন্য ঢাকা ত্যাগ করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল।

বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে আজ বুধবার বিকেলে তিনটায় ভারতের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেন মুশফিক–রিয়াদরা। আজ তাদের যাওয়ার কথা ছিল সাকিবের নেতৃত্বেই। কিন্তু যাওয়ার আগের রাতে সব ওলট–পালট হয়ে যায়। এই সিরিজে দুটি টেস্ট ও তিনটি টি–টোয়েন্টি খেলবেন মুশফিক–রিয়াদরা। দুই ফরম্যাটেরই অধিনায়ক ছিলেন সাকিব। কিন্তু নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়ায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড রাতেই ভারত সফরের জন্য মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে টি–টোয়েন্টি ও মুমিনুল হককে টেস্ট অধিনায়ক ঘোষণা করে। না করেও উপায় ছিল না। ভারত সিরিজ যে নাকের ডগায়।
সফরে যাওয়ার আগে ক্রিকেটাররা যেমন উদ্দীপ্ত আর চনমনে থাকেন আজ সেরকম ছিলেন না কেউই। ‘অবশ্যই আমি মনে করি সে (সাকিব) বাংলাদেশ ক্রিকেটের অন্যতম অংশ। আমার মনে হয় আমরা সবাই ব্যথিত ওর জন্য। ও আমাদের জন্য, বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ সবাই জানি। হয়তো সে ভুল করেছে কিন্তু অপরাধ করেনি তো। আমাদের সকলের সমর্থন তার সাথে আছে, আগে যেমন ভালোবেসেছি এখনো সেভাবেই ভালোবাসবো’-সাকিবকে নিয়ে বিমানবন্দরে বলছিলেন টি–টোয়েন্টির অধিনায়কত্ব পাওয়া মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।
দীর্ঘদিন পর জাতীয় দলে সুযোগ পাওয়া আরাফাত সানি বলেন, ‘অবশ্যই কোনো সন্দেহ নাই সাকিব আমাদের সেরা খেলোয়াড় এবং নাম্বার ওয়ান অলরাউন্ডার। সে অনেকদিন ধরে ডমিনেট করছে বাংলাদেশ ক্রিকেটকে। সো আমি ব্যক্তিগতভাবে অনুভব করি সে থাকলে তার কাছ থেকে অনেক টিপস পেতাম বোলিংয়ে। অনেকদিন ধরে আইপিএল খেলছে। তাই সবগুলো উইকেট সম্পর্কে তার ধারণা আছে। ও থাকলে আমার জন্য বাড়তি পাওয়া হতো। অবশ্যই আমরা তাকে অনেক মিস করবো।’
বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচ তিন নভেম্বর নয়াদিল্লির ফিরোজ শাহ কোটলা স্টেডিয়ামে। এই ম্যাচের মধ্য দিয়ে শুরু হবে টাইগারদের প্রায় এক মাসের এই সিরিজ।




