
নিজস্ব প্রতিবেদক : টাঙ্গাইলে মানব পাচার প্রতিরোধে বিচার প্রাপ্তির ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা দুরীকরণের উপায় নিয়ে বিভিন্ন এনজিওদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (২০ অক্টোবর) সকালে টাঙ্গাইল সাধারন গ্রন্থাগার হলরুমে বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থার মানব পাচার প্রতিরোধ প্রকল্পের আয়োজনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সভায় বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থার জেলা ইউনিটের সদস্য প্রফেসর ড. মো কামরুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থার সমন্বয়কারী মোজাম্মেল হক, সহকারী সমন্বয়কারী সাইফুল ইসলাম চৌধুরী প্রমুখ। সভা সঞ্চালনা করেন মানব পাচার প্রকল্পের জেলা সমন্বয়কারী এডভোকেট আল রুহী।
বক্তারা বলেন, দারিদ্রতা এবং কর্মসংস্থানের অভাবে অশিক্ষিত ও স্বল্পশিক্ষিত নারী-পুরুষ ও শিশুরা পাচারকারী চক্রের হাত থেকে নিজেদের রক্ষা করতে পারে না। প্রেম, বিয়ে কিংবা বিদেশে চাকরি দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে এধরনের ঘটনা ঘটায়। সংঘবদ্ধ পাচারকারী চক্র নারীদের পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করে। অনেকক্ষেত্রে এদেশের নারী ও শিশুরা রক্ত ও অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের উৎস হিসেবেও দেশে ও বিদেশে ব্যবহৃত হচ্ছে। পাচার কোন বিশেষ একক ব্যক্তির কাজ নয়। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত বিভিন্ন পর্যায়ে একাধিক ব্যক্তি এই কাজের সাথে জড়িত থাকে।
তারা আরও বলেন, মানব পাচার আইন পাশ হওয়ার পর ২০১২ সাল থেকে ২০১৮ সালের ৩১ জুলাই পর্যন্ত বিভিন্ন জেলায় মানব পাচার আইনে মামলা হয়েছে ৪ হাজার ১শ’ ৫২টি। তার মধ্যে ২০১৭ সালে ৭৭৮টি, ২০১৮ সালে ২৬৭টি মামলা হয়। টাঙ্গাইল জেলায় ২০১৮ সাল পর্যন্ত মামলা হয়েছে ৪১ টি। এর মধ্যে সমঝোতার ভিত্তিতে মামলার নিষ্পত্তি হয়েছে ১২টি। বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন রয়েছে ২৩টি ও তদন্তাধীন ৬টি।




