
বাসাইলসংবাদ: বৃহস্পতিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮:

নিজস্ব প্রতিবেদক:
টাঙ্গাইলের সখীপুর প্রেসক্লাবের নারী পিয়ন ছাহেরা খাতুনের ওপর হামলা ও মারধরের ঘটনার মূলহোতা বিএনপি নেতা আবদুল করিমকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে দশটার দিকে পৌর শহরের উপজেলা রোডের কেয়াকলি পারটেক্স ফার্নিচারের দোকান থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় ওই দোকানের কর্মচারি রিপনকেও গ্রেফতার করা হয়।
মামলা সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় সখীপুর প্রেসক্লাবের পিয়ন ছালেহা খাতুন পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে বিএনপি নেতা আবদুল করিমের পৌর শহরের উপজেলা রোডের কেয়াকলি পারটেক্স ফার্নিচারের দোকানে যান। এ সময় কথাকাটাকাটিতে অভিযুক্ত চার ব্যক্তি ছালেহাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে চুলের মুঠি ধরে টানাহ্যাঁচরা করে। এক পর্যায়ে কিল-ঘুষি লাথি মেরে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে জখম করে। আত্মচিৎকারে গুরুতর আহতাবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। হামলার শিকার ওই নারী সখীপুর প্রেসক্লাবের পিয়ন এবং ক্লাবের সামনেই চা-পানের দোকানি।
এ ঘটনায় বুধবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ছাহেরা খাতুনের বাবা আবদুস ছামাদ হামলাকারী বিএনপি নেতা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ব্যবসায়ী আবদুুল করিম, তার ছেলে উপজেলা ছাত্রদল নেতা পারভেজ, কর্মচারী রিপন ও নিক্সনকে আসামী করে সখীপুর থানায় মামলা করেন।
আহত ছালেহা খাতুন বলেন, তলপেটেসহ গায়ে প্রচন্ড আঘাত করেছে হামলাকারীরা। গরীব মানুষ বলে আমাকে নির্দয়ভাবে মারা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
সখীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নাজমুল হক ভূইয়া বলেন, অভিযুক্ত মূলহোতাসহ দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্য আসামীদেরও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
এদিকে নারীর গায়ে হাত তুলা ও শ্লীলতাহানির ঘটনায় সখীপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি শাকিল আনোয়ার, সম্পাদক এনামুল হকসহ সাংবাদিকরা তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।
বাসাইলসংবাদ/ একে




